সৌদি আরবের পবিত্র মদিনার সব মসজিদে নারীদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত খোলা রাখার অনুমোদন দিয়েছে দেশটির সরকার।
সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী শেখ ড. আবদুল লতিফ আল-শেখ সম্প্রতি এ অনুমোদন দেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মদিনার ঐতিহাসিক মসজিদের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার সাধারণ ও বড় মসজিদও এ ব্যবস্থার আওতায় থাকবে।
এর ফলে শহরে কেনাকাটা, চাকরি, ভ্রমণ বা অন্য কোনো কাজে বাইরে থাকা নারীরা নামাজের সময় বাড়িতে ফেরার পরিবর্তে কাছাকাছি মসজিদে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
এতদিন মদিনার অনেক মসজিদে নারীদের জন্য নির্ধারিত নামাজের স্থান শুধু জুমা, তারাবিহ ও ঈদের নামাজ কিংবা ব্যস্ত মৌসুমে খোলা রাখা হতো। বছরের অন্যান্য সময়ে এসব স্থান বন্ধ থাকত। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের সময়ই নারীদের জন্য এসব স্থান খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হবে।
তবে মসজিদে নববি এ সিদ্ধান্তের আওতায় পড়ছে না। বিশ্বের অন্যতম পবিত্র এই মসজিদে আগে থেকেই নারীদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান রয়েছে।
নারীদের জন্য নির্ধারিত নামাজের স্থানগুলোর ব্যবস্থাপনা ও তদারকিতে নারী মাঠকর্মীরাও দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া ঐতিহাসিক মসজিদগুলোতে নারীদের নামাজের স্থান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার জন্য ১১৫ জন নারীকে মসজিদ পরিদর্শক ও নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী শেখ ড. আবদুল লতিফ আল-শেখ সম্প্রতি এ অনুমোদন দেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মদিনার ঐতিহাসিক মসজিদের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার সাধারণ ও বড় মসজিদও এ ব্যবস্থার আওতায় থাকবে।
এর ফলে শহরে কেনাকাটা, চাকরি, ভ্রমণ বা অন্য কোনো কাজে বাইরে থাকা নারীরা নামাজের সময় বাড়িতে ফেরার পরিবর্তে কাছাকাছি মসজিদে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
এতদিন মদিনার অনেক মসজিদে নারীদের জন্য নির্ধারিত নামাজের স্থান শুধু জুমা, তারাবিহ ও ঈদের নামাজ কিংবা ব্যস্ত মৌসুমে খোলা রাখা হতো। বছরের অন্যান্য সময়ে এসব স্থান বন্ধ থাকত। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের সময়ই নারীদের জন্য এসব স্থান খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হবে।
তবে মসজিদে নববি এ সিদ্ধান্তের আওতায় পড়ছে না। বিশ্বের অন্যতম পবিত্র এই মসজিদে আগে থেকেই নারীদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান রয়েছে।
নারীদের জন্য নির্ধারিত নামাজের স্থানগুলোর ব্যবস্থাপনা ও তদারকিতে নারী মাঠকর্মীরাও দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া ঐতিহাসিক মসজিদগুলোতে নারীদের নামাজের স্থান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার জন্য ১১৫ জন নারীকে মসজিদ পরিদর্শক ও নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ধর্ম ডেস্ক